sumanasya
27 January 2025
চন্দনের বিন্দুগুলো বাড়ির উঠানে, তুলসীমঞ্চের পাশে বসে, যেমন সাজানো ছিল কপালে, এখনও তেমন। নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে যেন ও। গঙ্গার ঠাণ্ডা হাওয়ায় উড়ছে চুল। সরিয়ে নিচ্ছে না। সব বিরক্তির পালা শেষ।
তার পাশে বসে, উদাস চোখ, মনে পড়ছিল বিয়ের দিনের কথা। সেদিন চন্দন ঘেঁটে গিয়েছিল ঘামে। ঝোড়ো ফ্যানের হাওয়ায় উড়ে যাচ্ছিল চুল। বারবার সরিয়ে নিচ্ছিল কপাল থেকে। তাকাচ্ছিল, সলজ্জ।
শুভদৃষ্টি বহুবার হয় জীবনে। একান্তে। মন্ত্রহীন। আড়ম্বরহীন।
এ দৃষ্টি, পোড়া দৃষ্টি। হারিয়ে যাক সে নাভিকুণ্ড নিয়ে। অপেক্ষা করুক সে অনন্তের বুকে একখণ্ড আসন বিছিয়ে। শুভদৃষ্টি বহুবার হয়, অপেক্ষা করুক সে। তার আসার রাস্তার দিকে চেয়ে।
এ পারের সব মিথ্যা, অসীমকালে গিয়ে সত্য হয়। এ বিশ্বাস না থাকলে মিথ্যাও বিহ্বল হত অপমানে, জীবনের চোখে চোখ রেখে।