বাংলা কাগজে সবার নাম নেই। আমার কনসার্নের বিষয় হল আমার এককালের ছাত্র, বর্তমানে বন্ধু, ZSI তে কর্মরত বিজ্ঞানী, Surajit Kar এর নামটা নেই। ইংরেজি দৈনিক 'দ্য হিন্দুতে' আছে। আমরা সংবাদ দিই, সবটা দিই না। কেন দিই না তার কোনো স্পষ্ট উত্তর নেই। একেবারে ফ্যাকচুয়াল হওয়া হয় তো আমাদের ধাতে সয় না। একটু গপ্পো আর ভাবের ছোঁয়া লাগে। 'দ্য হিন্দু'র লিঙ্কটা দিলাম আর ওর পেপারের লিঙ্কটা দিলাম।
সুরজিত ভীষণ মন দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওর কাজটা করে যাচ্ছে। ভালোবেসে করছে। এটাই সব চাইতে বড় কথা। আমরা সবাই যখন সুন্দরবন বেড়াতে গেছি, সেখানেও ও তার গবেষণার জিনিসপত্র নিয়ে গিয়ে তার কাজের তথ্য জোগাড় করেছে, এমনই অধ্যবসায়ের সঙ্গে কাজটা করে ও। ওর এই ভালোবাসা ওকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
এ সব লেখা লিখতে গেলে উভয়সংকটে পড়তে হয়। বাংলা কাগজে নাম না দেখে মনে হল লিখি, আবার লিখতে গেলেই মনে হল ওই যে বললাম নিজের ছাত্র ছিল, কেউ যদি ভাবেন পরোক্ষে নিজের ঢাক পেটাতে চাইছি? আত্মপক্ষ সমর্থনে বলি, ক্লাস ইলেভেন টুয়েলভ বায়োলজি পড়িয়ে কারুর এতবড় অ্যাচিভমেন্টে নিজের দিকে ঝোল টানা আর অ আ ক খ শিখিয়ে তার আজীবনের পাণ্ডিত্যের দিকে আঙুল তুলে, "হ্যাঁ বটে আমি শিখিয়েছিলুম বলেই না...." বলা একই জিনিস। অতটা মুখ্যুও আমি নই।
আমাদের ছেলেমেয়েরা আরো বেশি বিজ্ঞানমুখী হোক। বিজ্ঞান তর্ক-যুক্তি ছাপিয়ে আরো গভীরের জিনিস, সত্য অন্বেষণের তৃষ্ণা। আমাদের তরুণ প্রজন্মের প্রাণে সেই অন্বেষা জাগুক আরো, আরো আরো। এই প্রার্থনা।
১) https://www.thehindu.com/.../23.../article69115378.ece
2) https://www.researchgate.net/.../388120258_A_preliminary...