Skip to main content
প্রতিদিন লোকটা এক ঘড়া করে জল বয়ে বয়ে এনে মরুভূমির বালিতে ঢালত। বালি ভিজত। সে খুশী হয়ে যেত। ভাবত একদিন ভিজতে ভিজতে ডোবা তৈরী হবে। তারপর দীঘি। তারপর সমুদ্র।
শকুনগুলো লোকটার মাথার উপর উড়ে উড়ে বেড়াত। তারা জানত, এ মানুষটার দেহ তাদের খাদ্য হবে একদিন। লোকটা ভাবত শকুনগুলো বসবে একদিন তার তৈরী সমুদ্রের ধারে। সারসের মত। কিম্বা দীঘির জলে নামবে পানকৌড়ির মত। কিম্বা শালিকের মত স্নান করবে ডোবাতে।
যেদিন লোকটা কঙ্কাল হয়ে শুল, সেদিন খুব বালিঝড় হল। শকুনগুলোর চোখে ঢুকল বালি। ওরা পথ হারাল। পালাল। 
ফিরে এলো যখন, তখন কই কঙ্কাল? এ যে মস্ত বালির পাহাড়! 
লোকটার কঙ্কালটা বালির অনেক নীচে। যেখানটা খানিক ভিজে ভিজে। সেখানে কঙ্কালটার গায়ে লাগল মাটির গন্ধ। সোঁদা গন্ধ।