Skip to main content

 

gg.jpg

 

Meera saw him in the classroom. It was a classic case of love at first sight. The boy, new to the 12th science class, came from an international school. He was South Indian—Srinivas.

Meera’s total attention was captivated by Srinivas’s personality and physique. The movements of his hands and fingers, his confident, smiling eyes, and the timbre of his voice gradually seeped into her thoughts. Meera, standing at the threshold of eighteen—a tender age that ushers in the mystical awakenings of body and soul—was drawn to him. In a word, it was desire. She found herself becoming obsessed, not just with Srinivas but also with her own body and emotions. Everything felt new, thrilling, and undeniably adventurous.

The story also revolves around two other pivotal characters: Meera’s mother, Anila, and her teacher, Mrs. Bansal.

Both Anila and Mrs. Bansal are protective in their own ways. Shaped by their life experiences and womanhood in a male-dominated society, they share a common goal—to guide Meera toward a successful future. Yet, their methods differ significantly.

As the story unfolds, it explores themes of conflict, suspicion, and morality. Questions arise, such as: How long should a girl’s skirt be? How should she sit to avoid drawing unwanted attention? How safe is it for a girl to spend time alone with a male friend without the watchful eyes of a social guardian?

One remarkable aspect of the film is its cinematography. The camera work feels deeply human and elegant. While some frames may not conform to traditional standards of perfection, they exude raw emotion. The camera penetrates the depths of feeling without disturbing the sacredness of it. So seamlessly and subtly, the storyteller captures the nectar of a pristine flower—Meera’s burgeoning adolescence—blossoming in her heart.

The ending is realistic, though not ideal. It reflects the everyday conflicts we grapple with in this so-called postmodern era. Societies in Afghanistan, Iran, Pakistan, Bangladesh, and parts of India seem intent on writing new rulebooks for women, rooted in the medieval period. According to their belief systems, a pure woman equates to a pure society. This age-old theory enforces inhuman standards of chastity, shaping purity through suppression. History has shown where such ideologies lead, but arrogance blinds society to its lessons. It perpetuates an infallible prophecy of control and regression.

The film is worth watching. I strongly recommend it to mothers of adolescent girls and, of course, to the mothers of boys as well. I deeply appreciate the courage and sensitivity of the entire team behind this project—its producer, director, and actors. Films like this are essential to challenge age-old taboos and shed fresh light on human nature and its complex role within society.

It now streaming now on Amazon Prime Video

(গুগুল কী না কী অনুবাদ করবে, সেই ভয়ে একটা বাংলা লেখাও দিয়ে রাখলাম।)

গার্লস উইল বি গার্লস, আমাজন প্রাইমে চলছে এখন। খুব কিছু সিনেমাটা নিয়ে জানি না, খুব একটা কিছু প্রত্যাশা না নিয়েই চালালাম। কিন্তু যত এগোতে লাগল, তত বিস্মিত হতে লাগলাম। এবং শেষটায় বাকরুদ্ধ হলাম।

মেয়ে পাহাড়ি বোর্ডিংস্কুলে পড়ে। উচ্চমাধ্যমিক দেবে। কোয়েড স্কুল। মা এসেছেন এ কদিন মেয়ের কাছাকাছি থাকবেন বলে।

সিনেমায় মুখ্যত চারটে চরিত্র। মা, মেয়ে, শিক্ষিকা আর মেয়ের একজন ছেলে বন্ধু, তথা প্রেমিক।

মেয়ের নাম মীরা। মীরারই গল্প। মীরা বয়ঃসন্ধির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। সেই দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে শ্রীনিবাস। তার নতুন সহপাঠী। বাইরের দেশে এতদিন পড়াশোনা। অনেক বেশি স্বনির্ভর, আত্মবিশ্বাসী, ওয়েল ম্যানারড। মীরার মন শরীর ছেয়ে গেল শ্রীনিবাসে। মীরার কৌতুহল। অদম্য কৌতুহল। কিন্তু সে কৌতুহলকে তো সোজা রাস্তায় নিয়ে যাওয়ার রাস্তা নেই সমাজে, তবে? সে কৌতুহল গড়ায় চোরাগোপ্তা পথে। শ্রীনিবাস হয় তার পাসওয়ার্ড। যৌবনে প্রবেশের। পুরুষ শরীর, নারী শরীরকে চেনার, যৌনতার রহস্যময় জগতে ঢোকার পাসওয়ার্ড।

মা অনিলা। শিক্ষিকা বানসাল। দুজনেই জীবনের অনেকটা রাস্তা পেরিয়ে এসেছেন। সমাজে নারীত্বের নানাবিধ অভিজ্ঞতায় পুষ্ট। দুজনেই আগলাতে চান মীরার বেড়ে ওঠার রাস্তাকে। দুজনেই মীরাকে একটা সফল লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে চান, দুজনের মত করে। দুজনের বিশ্বাস আলাদা। অনুভব আলাদা। কিন্তু লক্ষ্যে এক।

শ্রীনিবাস তাদের বাড়ি আসা শুরু করে। মা মেয়ে আর এক পুরুষ। ক্রমে শ্রীনিবাস মা মেয়ের দুজনেরই কাছের মানুষ হয়ে ওঠে। মা মেয়ের সম্পর্কের বাঁক আলোছায়া ঘেরা রাস্তায় দাঁড়ায়। আগে মা মেয়ের দূরত্ব ছিল, এখন জটিলতা বাড়ে।

কিন্তু শেষ কথা, সমাজ পুরুষতান্ত্রিক। তার চূড়ান্ত নিদর্শন হল ইতিহাসের পুনর্নবীকরণের পৃষ্ঠায়, যা আফগানিস্তানে, ইরানে, পাকিস্তানে, বাংলাদেশে, ভারতের কিছু কিছু জায়গায় করা হচ্ছে। এখানেও সে পুরুষতন্ত্র, অত হার্ডকোর না, কিন্তু একদম নেইও তা নয়। মেয়েদের বসা, পোশাক, হাঁটাচলা নিয়ে শিক্ষিকা বানসাল তাই এত উদ্বেগে থাকেন। তিনি বিশ্বাস করেন পুরুষকে নীতিবিজ্ঞান শিখিয়ে কিছু হয় না, মেয়েদের সংযত হতে হয়। এটা কাম্য না হলেও, এটাই বাস্তব। মা-ও সতর্ক থাকে তাই। সদ্য যৌবনে পা দেওয়া শরীরকে বড় ভয়। অপরিপক্ক, অনভিজ্ঞ বুদ্ধির হাতে পাগলা হাতির মত যৌবনের দাপট কী সামাল যোগ্য?

সিনেমাটা অনেক না বলা কথা বলে। অসামান্য ক্যামেরার কাজ মানুষের সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম অনুভবগুলোকে পরম সহমর্মিতায় পর্দায় তুলে আনে। গল্প এগোয়, নানা দ্বন্দ্ব-বিরোধের মধ্যে আত্মপরিচয় ঘটে। যা আত্মপরিচয়ে - সমাজ, নারীত্ব, শাসন, কামনা, ভয় ইত্যাদি মিশিয়ে ব্যক্তি বনাম অথোরিটির চিরকালের দ্বন্দ্ব আছে।

সিনেমাটা অবশ্যই দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে সেইসব মায়েদের বলব যারা সদ্য কৈশোর আর যৌবনের দোরগোড়ায় দাঁড়ানো মেয়ের পাশে দাঁড়িয়ে। সিনেমাটা কিছু প্রিচ করে না, অনেক না বলা দিককে সহজ করে দেখায়। আশা করি ভালো লাগবে।