Skip to main content

ছড়ানো ছেটানো

ছড়ানো ছেটানো 
    এবড়ো খেবড়ো 
        টুকরো টাকরা ভালোবাসা
    এখানে সেখানে 
                   হেলায় ফেলায়

সুবর্ণ

ছেলেটা মেয়েজাতটাকে ভালোবাসতে পারতো না, তাই শ্রদ্ধা করত প্রাণের সমস্ত শক্তি দিয়ে। কারণ যাকেই না শ্রদ্ধা করি তা-ই বিরুদ্ধ শক্তি হয়ে দাঁড়ায়। মেয়েজাতের মত এত বড় একটা শক্তিকে বিরুদ্ধসত্তা বানিয়ে লড়তে চাইলে মনের শান্তি বিঘ্নিত হয়। তাই সুবর্ণ মেয়েদের শ্রদ্ধা করত। সে নিজেও কারণটা স্পষ্ট বুঝত না যদিও। কিন্তু সে খেয়াল করত মেয়েদের নারীরূপটা সে মেনে নিতে পারে না। সেটা যেন পাশ্চাত্য সভ্যতার একটা বিকাররূপ তার কাছে। মেয়ে মানে মা। মেয়ে মানে একটা আশ্রয়। এমনকি ভারতীয় মেয়েদের পর্ণও দেখলে অসহ্য লাগত সুবর্ণ'র। ওরকম হয় না ভারতীয় মেয়েরা।

দেখা হয়ে ছিলো

দেখা হয়ে ছিলো
      মনে আছে
মনে-ই রয়ে গেল 
   দেখা হয়ে ছিলো

কাল কি হল থেকে হেলমেট দেবে না নিয়ে যেতে হবে সাথে করে?

কাল কি হল থেকে হেলমেট দেবে না নিয়ে যেতে হবে সাথে করে? কোর্টের অর্ডার পড়ি নাই। তাই সাদা মনে জিগাইতেসি। আমার যদিও বামুনের শরীর। তায় রক্ষে পাব কি না কে জানে? রাজপুতেরা কি পৈতে দেখে ভয় খায়? কে জানে বাপু।          আর একটা কথা, ক্যালানি খাওয়া, থুড়ি মার খাওয়ার (কি ম্লেচ্ছ ভাষা বেরিয়ে গেল হাত ফসকে, আসলে নার্ভাস ফিল করছি) আগে রাজপুত চেনে কি করে? তাইলে আগে থাকতে সাবধান হই আর কি! 

তাই তো বরাবর ছিল

তাই তো বরাবর ছিল
        যা এখন আছে
আমিই চেয়েছিলাম অন্যরকম হোক
...

পারলে অন্য কিছু ভাবো

সবই কি ভালো লেগেছিলো ?
লাগে নি তো
তবু তো পসরা সাজিয়ে বসেছি রোজ 

উঠে যেতে ইচ্ছা তো করেছিল লক্ষবার
উঠিনি তো। পালাবো কার থেকে?
ভাগ্য আর মন
    পালালেও কি শান্তিতে থাকবে?
...

ভারতীয় রেলের, প্লেনের লোগো আছে

ভারতীয় রেলের, প্লেনের লোগো আছে। দেশ বিদেশের সব বিখ্যাত, কম খ্যাত, অখ্যাত কোম্পানীর লোগো আছে। আগে কুইজে লোগো দেখিয়ে প্রশ্ন করত - বলো তো খোকা এটা কিসের লোগো? 
        সব খেলাগুলোরও আছে। নামী নামী ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, টেনিস ইত্যাদি খেলার রোজকার ফলাফল যখন কাগজে বেরোয় তখন বাঁদিকে উপরে ছোট্ট করে একটা লোগো আঁকা থাকে। দেখেই বোঝা যায় কোন টুর্নামেন্টের কথা লিখছে। 
...

পারলে অন্য কিছু ভাবো

সবই কি ভালো লেগেছিল?
লাগেনি তো
তবু তো পসরা সাজিয়ে বসেছি রোজ হাসিমুখে

ভবাকান্তবাবু

ভবাকান্ত দুপুরে ভাত আর অল্প একটু ডাল তরকারি খেলেন। বাইরের বারান্দাটায় এখন রোদ। খেয়ে উঠে বসবেন। খাওয়ার থেকে রোদে বসার তাড়া বেশি। 
        গায়ে একটা শাল। শালটার বয়েস পঁচিশ। তার বয়েস একাশি। চেয়ারে বসলেন। মুখটা রোদের বাইরে রেখে চোখ বুজে শুলেন। মাইকের গান আসছে "চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে জো দিলকো"। সামনের ক্লাবে চলছে। উপরে পতাকা, নীচে নেতাজি। চারদিকে চারটে দড়ি। তাতে ছোটো ছোটো পতাকা। যাননি এবার দেখতে, তবু জানেন। নেতাজির জিলিপি খেতেও মন চায়নি। অম্বল হয়। কম দামী তেলে ভাজা। 
...

সবই তো আছে

সবই তো আছে। নেতা আছে, নীতি আছে, ধর্ম আছে, ধর্মস্থান আছে, গুরু আছে, শিষ্য আছে। তবু কি যেন নেই। কার যেন একটা অভাব। কত পাণ্ডিত্য আছে। কত গবেষণা আছে। কত বড় বড় প্রতিষ্ঠান, কত চিন্তাবিদ আছেনই তো। তবু কি যেন নেই, কি যেন নেই। 
        সুভাষচন্দ্রের ভাষণ দিতে গিয়ে কণ্ঠ অবরুদ্ধ হয়েছে এমন ঘটনা ঘটেছে। মোহনদাস গান্ধী নুন বানাতে যাওয়ার ডাক দিয়েছেন তাতে লক্ষ লক্ষ মানুষ সাড়া দিয়েছে – ইতিহাস সাক্ষী। সুভাষ বা গান্ধী কেউই তাদের মতাদর্শ অনুসরণ করলে চাকরি দেবেন এমন কথা দেননি। তবু মানুষ গেছে। মেরেছে। মরেছে।
Subscribe to